ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪, ১০:৫৮ অপরাহ্ন
বন্যা বনাম ঝুলন্ত ব্রিজের লড়াই
গোলাম রাব্বানী, মান্দা, নওগাঁ

নওগাঁর জেলার মান্দা ও নিয়ামতপুরের সিমান্ত বরাবর আইওরপাড়া অবহেলিত এই স্থানটি। যা ভোট এলেই করে দেওয়ার মিথ্যা আশ্বাস দেওয়া হয়।

বলা বাহুল্য যে প্রয়াত উপজেলা চেয়ারম্যান স.ম. জসিম উদ্দিন সরদার আইওরপাড়াতে এসে বলেছিলেন, “আমি পাশ করলে আমার হাতের প্রথম কাজই হবে এই ব্রিজ নির্মান। আমি কথা দিয়ে গেলাম”। যা এখনও হয়নি।

পরের চেয়ারম্যান কে ও বলা হয়েছে। শুধু তাই নয় নিয়ামতপুর উপজেলার মমতাময়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার জয়া মারিয়া পেরেরা এর সহযোগীতায় খাদ্যমন্ত্রী মহোদয়ের সুপারিশকৃত দরখাস্ত মান্দা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয়কে দিয়েও এক বছর পার হয়ে গেল।

গত একমাস আগে আইওরপাড়া সেবা সংঘের উদ্যোগে আবারও ৩য় বারের মত ব্রিজটি কিছুটা চলাচলের উপযোগী করা হয়েছে। যেখানে আইওরপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক ২ হাজার টাকা দিয়ে সহযোগিতা করেছিলেন। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (সুমন) আর্থিক সহযোগীতা করেছিলেন।

আজ মঙ্গলবার সকালে পানির চাপে নিভু নিভু করে যেগে আছে ব্রিজটি, সেখানে বন্যার মত ব্যাপক পানির চাপ।

আইওরপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, খুব দূ:খের সাথে জানাচ্ছি যে, প্রতি সপ্তাহে আমার আইওরপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬০০ জন শিক্ষার্থী, প্রাথমিকের ৫০০ জন শিক্ষার্থী জীবনের ঝুকি নিয়ে ব্রিজের উপর দিয়ে এ্যাসাইনমেন্ট দিতে আসছে প্রতিনিয়ত স্কুলে।

আর ৫-৬ টি গ্রামের সর্ব সাধারন মানুষ এলাকার বিক্ষাত হাট চৌবাড়ীয়াতে যাতায়াত করেন এই বাঁশের ব্রিজ দিয়েই। জানিনা ব্রীজটি তার জীর্নশীর্ণ দুর্বল শরীর নিয়ে এই বিশাল পানির স্রোতের সাথে লড়াই করে আর ২৪ ঘন্টা ও টিকে থাকতে পারবে কিনা। তাহলে আমার প্রানপ্রিয় শিক্ষার্থীদের এ্যাসাইনমেন্ট লেনদেন কিভাবে করব।

যেখানে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর নির্দেশ স্কুল কানেক্টিং কোন রাস্তা কাঁচা থাকবে না। সেখানে রাস্তা সহ ব্রীজের এই দুর্দশা। এটা সত্যিই কল্পনাতীত। সমগ্র দেশ যখন দেশরত্ন মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর শক্ত হাতে উন্নয়নের মহাসড়কে অবস্থান করছে, যেখানে সারাদেশে টেকসই অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে।

সেখানে সামান্য এই ব্রিজটি যা অনেক জনগুরুত্বপূর্ণ ও স্কুলের হাজারো শিক্ষার্থীদের চলাচলের একমাত্র অবলম্বন। তা আজো যথাযত কর্তৃকপক্ষের সুনজরে পড়ছে না।

স্থানীয়রা বলেন, আমাদের চলাফেরার একমাত্র রাস্তা হচ্ছে এইটা। বর্ষার যদি এই বাঁশের ব্রিজটি ভেঙ্গে যায় তাহলে আমরা ঘর বন্দী হয়ে যেতে হবে। যথাযত কর্তৃপক্ষের নিকট আকুল আবেদন খুব শিঘ্রই এর সুব্যবস্থা করে বাধিত করবেন।

One response to “বন্যা বনাম ঝুলন্ত ব্রিজের লড়াই”

  1. … [Trackback]

    […] Find More on to that Topic: doinikdak.com/news/30549 […]

Leave a Reply

Your email address will not be published.

x