ঢাকা, সোমবার ১৮ অক্টোবর ২০২১, ০৮:৫৮ অপরাহ্ন
মোংলায় আ. লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত ১৪
দৈনিক ডাক অনলাইন ডেস্ক

বাগেরহাটের মোংলায় পাওনা টাকা নিয়ে শালিসে থানায় যাওয়ার পথে স্থানীয় আওয়ামী লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১৪ জন আহত হয়েছে। উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়নের বাঁশতলা বাজারে আজ শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন বেল্লাল খাঁন (৪০), রিপন খাঁন (৩৫), আউয়াল খাঁন (৩০), ইমামুল খাঁন (২০), ইয়াসিন শেখ (২৭), সাউদ খাঁন (৩৫), লিয়াকত খাঁন (৬০), দেলোয়ার শেখ (৪০), টুকু মোড়ল (৩৫), নুর ইসলাম মল্লিক (৪৫), শামসু খা (৬৫), দেলোয়ার হোসেন (৪০), নুরুল আমিন (৩৮) ও মাসুদ গাজী (৩৫)। এদের সবার বাড়ি সুন্দরবন ইউনিয়নের বাঁশতলা গ্রামে।

আহতদের এক পক্ষ সুন্দরবন ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ নেতা একরাম ইজারাদারের ও অপর গ্রুপ যুবলীগ নেতা আহাদুল মেম্বরের অনুসারী বলে জানা গেছে।

একরাম ইজারাদারের দাবি, শালিসে যাওয়ার পথে আহাদুল মেম্বারের লোকজন দা ও রামদা দিয়ে কুপিয়ে তাঁর লোকজনকে জখম করেছে।

অপরদিকে আহাদুল মেম্বার বলেন, ‘একরাম ইজারদারের লোকজনই আমার লোকদের কুপিয়েছে।’

সুন্দরবন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শেখ কবির উদ্দিন বলেন, ‘স্থানীয় কবির ও জামাল ফকিরের মধ্যে পাওনা টাকা নিয়ে আজ শুক্রবার মোংলা থানায় শালিস হওয়ার কথা ছিল। সেখানে যাওয়ার পথে বাঁশতলা বাজারে তাদের মধ্যে গাড়িতে ওঠা নিয়ে তর্ক শুরু হয়। এর এক পর্যায়ে দুপক্ষের পেশী শক্তির মহড়ায় সেটি সংঘর্ষে রূপ নেয়। সবাই দা ও লোহার রড নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে বলে শুনেছি। এতে বেশ কয়েকজন জখম হয়। আহতরা সবাই আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেন।’

এদিকে, এ ঘটনায় বাঁশতলা বাজারে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। বড় ধরনের যেকোনো সংঘর্ষ এড়াতে সেখানে পুলিশ অবস্থান করছে বলে জানা গেছে।

মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, ‘শুনেছি থানায় একটা শালিসিতে আসার সময় গাড়িতে ওঠা নিয়ে পথে স্থানীয় দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ওসি বলেন, ‘বেশ কিছুদিন ধরে উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়নে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুপক্ষের মধ্যে এ পর্যন্ত বেশ কয়েকটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ওইসব ঘটনায় মামলা বিচারাধীন।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x