ঢাকা, শুক্রবার ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:১৮ পূর্বাহ্ন
বোয়ালমারীতে শ্মশানের রাস্তায় প্রাচীর নির্মাণের অভিযোগ
Reporter Name

টুটুল বসু, বোয়ালমারী (ফরিদপুর):ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে শ্মশানে আসা-যাওয়ার সড়কের একাংশ দখল করে প্রাচীর নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয় জনগণ এ ব্যাপারে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বোয়ালমারী পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ কামারগ্রামের ফারুক মোল্যা শ্মশানে যাতায়াতের সড়কটির প্রায় ৫ ফুট দখল করে নিজের সীমানার মধ্যে নিয়ে ৭ ফুট উচ্চতাসম্পন্ন প্রাচীর নির্মাণ করেছে। এতে সড়কটি সংকুচিত হয়েছে। এছাড়া ওই সড়কের মোড়ে সড়কের একাংশ দখল করে তার উপর ঘর নির্মাণ করায় মাঝেমধ্যে দুর্ঘটনা ঘটেছে।

এলাকাবাসীর পক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর আমছানুল কবীর, গফফার শেখ, আমজেদ মিয়া, মুরাদ মিয়া ও কাদের মোল্যার দেয়া লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঝোটন চন্দ গত ৭ এপ্রিল বোয়ালমারী পৌর ভূমি অফিসকে এ ব্যাপারে প্রতিবেদন দিতে বলেন। ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) বিশ্বজিৎ কুমার দে ১১ এপ্রিল এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য একটি প্রতিবেদন জমা দেন।

ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় ফারুক মোল্যা তার ব্যক্তিমালিকানাধীন ৮৪ নং কামারগ্রাম মৌজার বিএস ১৬৬৫ নং খতিয়ানের ৬০৫৬ নং দাগের বিএস ১ নং খাস খতিয়ানের ৬০৬৭ নং দাগের পূর্ব-পশ্চিমে সর্বসাধারণের রাস্তা হিসেবে ব্যবহার্য ৬৬০ বর্গফুট জমি প্রাচীর দ্বারা এবং ১৫০ বর্গফুট জমি চৌচালা ঘরের অংশে অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া বিএস ৬০৫৫ নং দাগে ১২১০ বর্গফুট রাস্তার জমি প্রাচীর দ্বারা এবং ৩০ বর্গফুট জমি চৌচালা ঘরের অংশে অন্তর্ভুক্ত করে অবৈধভাবে ভোগ দখল করছে। অবৈধ দখলের কারণে স্থানীয় জনসাধারণ ও যানবানের চলাচলে ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে উল্লেখ করে সরকারি রাস্তার জায়গা অবৈধ দখলকারীর নিকট থেকে উদ্ধার করে জনসাধারণের ব্যবহার উপযোগী করার জন্য প্রাচীর অপসারণের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি উল্লেখ করা হয় প্রতিবেদনে।

প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঝোটন চন্দ তার অফিস কক্ষে অভিযুক্ত মো. ফারুক মোল্যাকে ১৩ এপ্রিল সাক্ষ্য প্রমাণসহ উপস্থিত হওয়ার জন্য নোটিশ প্রদান করেন। ওই দিন ইউএনও-র অফিস কক্ষে উপস্থিত হয়ে ফারুক মোল্যা লকডাউনের অজুহাতে সময় চেয়েছেন।

এ ব্যাপারে বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঝোটন চন্দ বলেন, কাগজপত্র পর্যালোচনা করে মনে হচ্ছে ওই জায়গা সরকারি। তবে ফারুক মোল্যা দাবি করেছে ওই জমির কাগজপত্র তার চাচার কাছে আছে। চাচা যশোরে থাকে। লকডাউন থাকায় ফারুক মোল্যা সময় চেয়েছে। লকডাউন শেষে জমি মেপে কাগজপত্র পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

x