ঢাকা, শনিবার ১৫ মার্চ ২০২৫, ০২:২৪ পূর্বাহ্ন
ঈদগাঁওতে করোনা সংক্রমন থেকে রক্ষা পেতে সচেতনতামুলক প্রচারনা নেই
Reporter Name

এম আবু হেনা সাগর,ঈদগাঁও: দেশে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ বেড়ে চলছে।  প্রায়শ মৃত্যু হচ্ছে। বিগত বছরের চেয়ে এ বছর

সংক্রমণের সংখ্যা একটু বৃদ্বি পেয়েছে। তারপর ও গ্রামগঞ্চে বা হাট বাজারে লোকজনের সংখ্যা কিন্তু কম নয়। ভাইরাসকে তোয়াক্কা না করে চষে বেড়াচ্ছে নারী পুরুষ।

এমনকি কক্সবাজার সদরে ঈদগাঁওর শপিংমল বা মার্কেটগুলোতে ক্রেতাদের ভীড় যেন চোখে পড়ার মত। তাদের মাঝে নেই স্বাস্থ্যবিধি বা মুখে মাস্ক। ঈদকে সামনে রেখে জনসমাগম বেড়েছে।

করোনা সংক্রমন থেকে রক্ষা পেতে সচেতনতা মুলক প্রচার প্রচারনা নেই কোন সংগঠন কিংবা সংস্থার। প্রচারনা থাকলে কিছুটা হলেও সচেতন হতো বাজারমুখী লোকজন। এছাড়াও বিভিন্ন শপিংমলে দোকানদারদের মুখে নেই মাস্ক। ব্যবসা প্রতিষ্টান ভর্তি ক্রেতা কেনাকাটায় ব্যস্ত।  সামাজিক দুরত্ব বা স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না ক্রেতা বিক্রেতা উভয়রা। প্রসাশনের নেই তদারকি।

করোনা পরিস্থিতি ঠেকাতে গত ৫ই এপ্রিল থেকে ৫ মে পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে লকডাউন দেয় সরকার। সেটি বৃদ্বি করে ১৬ মে পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে।

সরকারের নির্দেশনায় বলা হয়, কঠোর স্বাস্থ্য বিধি মেনে শপিং মল বা দোকানপাটে যাতায়াত করতে হবে। কিছুই মানছেনা ক্রেতা বিক্রেতারা। ভোর সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলে হরদম বেচা বিক্রি। স্বাস্থ্যবিধি তো দূরের কথা, মুখে মাস্কও ব্যবহার করছেনা ভালভাবে।

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঈদগাঁওর শপিংমল, মার্কেটে ভিড় জমিয়েছেন ক্রেতারা। স্বাস্থ্যবিধি না মেনে ক্রেতাদের মার্কেট ও বিপণিবিতানে ভিড় করতে দেখা যাচ্ছে। ঈদকে কেন্দ্র করে পরিবার-পরিজনের জন্য পছন্দের জামা-কাপড় কিনতে প্রখর রোদ, করোনা ভীতিকে উপেক্ষা করে ক্রেতাদের ঢল যেন চোখে পড়ার মত।

ঈদগাঁওর বৃহৎ এলাকায় দিনদিন করোনা সং ক্রমনের হার বেড়ে চলছে। এসব কিছু জেনে বা শুনার পরও সাধারন লোকজন একটু হলেও সচেতন হচ্ছেনা। নিরাপদে বাড়ীতে অবস্থা না করে অযথা বাহিরে ঘুরাঘুরি করতেও দেখা যায় অনেককে।

ঈদগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)র মুঠো ফোনে সংযোগ না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

x