ঢাকা, শুক্রবার ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন
আল্লামা শফীকে হত্যা করা হয়েছে বাবুনগরীরা উসকানিদাতা
অনলাইন ডেস্ক

হেফাজতে ইসলামের প্রতিষ্ঠাতা আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে আবারও অভিযোগ তুলেছেন সংগঠনটির শফীপন্থী নেতারা। বাবুনগরীসহ তাঁর অনুসারীরা এই ঘটনার উসকানিদাতা দাবি করে তাঁদের দ্রুত গ্রেপ্তারেরও দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে সারা দেশে নিজেদের উদ্যোগে হেফাজতের কমিটি ঘোষণা করবেন বলে জানিয়েছেন শফীপন্থীরা। তাঁরা বলছেন, সরলতার সুযোগে একটি মহল আলেমদের ভুলপথে ঠেলে দেওয়ার পাঁয়তারা করছে। এমন প্রতারণা সফল হতে দেওয়া হবে না। গতকাল বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে আহমদ শফীর অনুসারীরা এসব অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে হেফাজতের শফীপন্থীদের শীর্ষস্থানীয় একাধিক নেতাসহ আহমদ শফীর ছেলে আনাস মাদানী উপস্থিত ছিলেন। লিখিত বক্তব্যে হেফাজতের সাবেক সাহিত্য সম্পাদক মাওলানা নুরুল ইসলাম জাদিদ বলেন, ‘যাঁরা শফী হত্যা মামলার স্বীকৃত আসামি, তাঁরা হেফাজতের নেতৃত্বে থাকতে পারেন না। আমরা নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে আহমদ শফীর রেখে যাওয়া আমানত হেফাজতে ইসলামের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছি। অচিরেই শীর্ষস্থানীয় উলামাদের পরামর্শে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে কমিটি গঠন করা হবে।’ সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন হেফাজতে ইসলামের সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মুফতি ফয়জুল্লাহ।

নুরুল ইসলাম জাদিদ বলেন, ‘একটি মহল ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশের আলেমসমাজকে ভুলপথে ঠেলে দেওয়ার পাঁয়তারা করছে। আল্লামা শফীর ইন্তেকাল স্বাভাবিক হবে, এটাই ছিল সবার প্রত্যাশা, কিন্তু ষড়যন্ত্রকারীরা তা হতে দেয়নি। জীবনের শেষ মুহূর্তে মুমূর্ষু অবস্থায় আহমদ শফীকে অতি প্রয়োজনীয় ওষুধ গ্রহণ করতে দেওয়া হয়নি। রুমের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল, এসি-ফ্যানসহ আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়েছিল।’ তিনি বলেন, আহমদ শফীকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছিল। চাপাতি, রামদা, লাঠি, দেশি অস্ত্রে সজ্জিত চরম ও উগ্রপন্থীদের দিয়ে তাণ্ডব চালানো হয়েছিল। হাটহাজারী মাদরাসায় একটি চরমপন্থী উগ্রগোষ্ঠীর অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে সহজ-সরল ছাত্রদের উসকানি দেওয়া হয়েছিল।

এক প্রশ্নের জবাবে মুফতি ফয়জুল্লাহ বলেন, যিনি হেফাজতের কথিত আমির হয়েছিলেন, তাঁকে এ দেশের ধর্মপ্রাণ জনগণ মেনে নিতে পারেনি। যে কারণে জনরোষ থেকে বাঁচার জন্য তথাকথিত ওই অবৈধ কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে শফীপন্থী হেফাজতের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে আব্দুল হামিদ (মধুপুরের পীর), আবুল কাসেম, আব্দুর রশিদ মজুমদার, খোরশেদ, জাকরুল্লাহ খান, শরীফ বিন আব্দুল কুদ্দুস, আবুল হাসানাত আমিনী, মাঈনুদ্দিন রুহী ও আলতাফ হোসেন উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া আহমদ শফীকে হত্যার অভিযোগ করা মামলার বাদী মো. মহিউদ্দিনও উপস্থিত ছিলেন। তিনি আহমদ শফীর শ্যালক।

উল্লেখ্য, গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকায় মারা যান হাটহাজারী মাদরাসার দীর্ঘদিনের মহাপরিচালক আহমদ শফী, যাঁর নেতৃত্বে কওমি মাদরাসাভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলামের যাত্রা শুরু হয়েছিল। সুত্র কালের কণ্ঠের

4 responses to “আল্লামা শফীকে হত্যা করা হয়েছে বাবুনগরীরা উসকানিদাতা”

  1. briansclub says:

    … [Trackback]

    […] Read More here on that Topic: doinikdak.com/news/21801 […]

  2. Excellent web site you’ve got here.. It’s hard to find good quality writing like yours these days. I seriously appreciate people like you! Take care!!

  3. RNS-MO-nor says:

    Разрешение на строительство — это публичный запись, выдаваемый полномочными ведомствами государственного аппарата или местного самоуправления, который предоставляет начать стройку или выполнение строительных операций.
    Разрешение на строительство недвижимого имущества формулирует юридические основы и нормы к строительству, включая узаконенные разновидности работ, приемлемые материалы и техники, а также включает строительные нормы и комплексы безопасности. Получение разрешения на возведение является обязательным документов для строительной сферы.

  4. … [Trackback]

    […] Info on that Topic: doinikdak.com/news/21801 […]

Leave a Reply

Your email address will not be published.

x