ঢাকা, সোমবার ২৭ মে ২০২৪, ১২:২৮ অপরাহ্ন
লস্করপুর ভ্যালীর ২৩ টি বাগানের শ্রমিকদের সংবাদ সম্মেলন
আব্দুর রাজ্জাক রাজু

নিন্মতম মুজুরী বোর্ড কতৃক চা শ্রমিকদের জন্য খসড়া সুপারিশ বাতিলের দাবীতে লস্করপুর চা বাগানের  ২৩ টি বাগানের  শ্রমিক নেতৃবৃন্দ সংবাদ সম্মেলন করেছে।

(২২ জুন) মঙ্গলবার দুপুরে চুনারুঘাট উপজেলার চা শ্রমিক ইউনিয়ন কার্য্যালয়ের লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন লস্করপুর ভ্যালীর সভাপতি রবিন্দ্র গৌর।

এসময় ভ্যালী সেক্রেটারী অনুরুদ্ধ বাড়াইক,চা শ্রমিক ইউনিয়নের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক নিপেন পাল সহ চুনারুঘাট ও মাধবপুর উপজেলার সবকটি চা বাগানের পঞ্চায়েত কমিটি’র সভাপতি/সম্পাদক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

চুনারুঘাটে কর্মরত সাংবাদিকদের লিখিত বক্তব্যকালে শ্রমিক নেতারা বলেন  প্রকৃতপক্ষে চা শিল্পের বহুবছরের প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে বাংলাদেশের শ্রমিক ইউনিয়নের সাথে বাংলাদেশের সংসদের প্রতি ২ বছর অন্তর অন্তর দ্বিপাক্ষিক চুক্তি হয়।

কিন্তু উল্লেখ আছে প্রতি ৩ বছর অন্তর অন্তর দ্বিপাক্ষিক চুক্তি হয় সেটা সঠিক নয়,তারা আরো বলেন প্রতি দুই বছর স্থলে জায়গায় তিন বছর অন্তর অন্তর চুক্তি হলে শক্তিশালী মালিক পক্ষের দ্বারা অপেক্ষাকৃত মজুরি নির্ধারণের ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।

কত তারিখে কার্যকর হয় কত তারিখ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে চুক্তি সম্পাদনের তারিখ বাংলাদেশের চা সংসদ ও শ্রমিক ইউনিয়ন আলোচনা ও সমঝোতার ভিত্তিতে নির্ধারণ করে থাকেন।

তবে বলা আছে শিক্ষানীতির সুপারিশ চা বাগান সৃষ্টি লগ্ন থেকে তার সন্তানরা থেকে চা-বাগানে কাজের সংক্ষিপ্ত থাকে দেড়শ বছরের চা বাগান রীতি অনুযায়ী একজন স্থায়ী শ্রমিক যেকোনো কারণে অবসর হইলে তার পরিবার বা নিকটাত্মীয়কে সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় শ্রমিক হিসেবে নিয়োগ করা হয়।

তাই পূর্বের পূর্বের রিতি অনুযায়ী চা শ্রমিকদের শিক্ষা নিবাস কাল কোন সময় ছিল না আমরা এখনো চাইনা সুপারিশ অনুযায়ী মজুরি বৃদ্ধি বর্তমানে চা শ্রমিকরা ১২০ টাকা মজুরি পাচ্ছে তাছাড়া আমাদের ইউনিয়ন ২০১৯সালে পহেলা জানুয়ারিতে ১২০ টাকা মজুরি কার্যকর করেছে।

আমরা যাহা সঠিক পাচ্ছি এমত অবস্থায় আমরা আড়াই বছর যাবত আমরা জে ১২০টাকা মজুরি পাচ্ছি সেই ১২০ টাকা আড়াই বছর পরে মজুরি বোর্ড কর্তৃক ঘোষণা করার কোন মানে হয় না।

কিন্তু বর্তমান বিশ্ব বাজারে খাদ্যদ্রব্যের ঊর্ধ্বগতি থাকায় আমাদের পরিবার পরিজন নিয়ে বেঁচে থাকা শ্রমিকদের লেখাপড়া করা খুবই কষ্টকর হচ্ছে যা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না এ সময় তারা বিভিন্ন দাবি-দাওয়া সহ মজুরি বোর্ডের কাছে নিম্নতম ৩০০ টাকা মজুরি প্রদানের জন্য দাবি করেন।

দাবী আদায় না হলে তারা বৃহত্তর আন্দোলনে যাওয়ার ঘোষনা দেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

x