ঢাকা, সোমবার ২৩ মে ২০২২, ১২:১৮ পূর্বাহ্ন
ক্যারিয়ারের শুরুতেই নির্ধারিত হোক জীবনের লক্ষ্য
দৈনিক ডাক অনলাইন ডেস্ক
ক্যারিয়ার গড়তে একাডেমিক পড়াশুনার শুরুতেই জীবনের লক্ষ্য ঠিক করে নেয়া উচিত। বয়সের যে মুহূর্তেই আপনি থাকেন না কেন আপনি ভবিষ্যতে কি হতে চান কিংবা ভবিষ্যতে আপনার অবস্থান কোথায় হবে তা আপনাকেই ভেবে নিতে হবে। নিজের নির্দিষ্ট প্ল্যান থাকলে ভালো, না থাকলে এখনই ঠিক করে নেওয়া উচিত।
ক্যারিয়ার গ্রাফ চিন্তা করেই জীবন-যাপনের ধারা নিয়ন্ত্রণ করা উচিত। এ ক্ষেত্রে মা-বাবার পরামর্শ গ্রহণ করার পাশাপাশি আপনার যদি বাড়তি কোনো ইচ্ছা থাকে তবে তাও যথার্থ সময়ে সবার সামনে প্রকাশ করতে হবে। যদি ক্রিকেটার বা নৃত্যশিল্পী হতে চান, তবে নিয়মিত একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি খেলা বা নাচ এবং নিজের শারীরিক ফিটনেসের উপরও জোর দিতে হবে। মনে রাখতে হবে, ভাবনার পাখিরা ইচ্ছে করলেই ডানা মেলতে পারে। তাই বলে নিজের অবস্থা বুঝার চেষ্টা বাদ দেওয়া চলবে না। আপনার সক্ষমতা আপনার স্বপ্নকে যদি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে তবে বেশির ভাগ সময়ই স্বপ্ন দুঃস্বপ্ন কিংবা আক্ষেপের বিষয়বস্তু হয়ে দাঁড়ায়। কখনও যদি মনে হয় বাস্তবতা স্বপ্ন থেকে অনেক দূরে, তবে মনকে কষ্ট দিয়ে হলেও সেই পথ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিতে পারলে সময় আপনাকে বাহাবা দিবে।
আপনার জীবনধারায় যেই সময়টাই আসুক না কেন গড্ডালিকা প্রবাহে গা ভাসানোর কোনো প্রয়োজন নেই। বরং নিজেকে জানার আর নিজের চেষ্টাকে সমর্থন দেয়াই আসল কাজ। আপনি যদি অংকে দুর্বল হন আর আপনার ধ্যানজ্ঞান হয়ে থাকে বড় বিজ্ঞানী হয়ে ওঠার, তবে জীবনের অংকই অনেকটা উল্টে যাবে। অন্যদিকে সাহিত্যে আপনার চরম দখল, অথচ মনের ভেতর কিংবা অভিভাবকের সিদ্ধান্তে আপনি নিজেকে খুঁজে নেন কমার্সের কোনো বিষয়ে, তবে আপনার ভবিষ্যত সময়কে সহায়তা করবে না এতটুকু। চেষ্টা করতে হবে সার্বিক ফলাফলটা যেন সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। নিজের দুর্বলতা বা শক্তির জায়গা সম্পর্কে নিশ্চিত না হওয়া গেলে সময়কে মানিয়ে নেয়া আপনার হয়ে উঠবে না।
সপ্তাহের শুরুতে কিংবা প্রতিদিন নিজের জন্য একটি প্ল্যান রাখা উচিত। হতে পারে তা ডায়রিতে লিখে কিংবা মোবাইল টু-ডু লিস্টে তা লিপিবদ্ধ করে। শুধু প্ল্যান নয় চেষ্টা করতে হবে এই লিখে নেওয়া জীবন প্রণালীকে যথাসম্ভব ফলো করা। প্রথম দিকে অবশ্য রুটিন মেনে চলতে একটু সমস্যা হতে পারে।
শুধু পড়াশোনা নয় কিংবা সারাক্ষণ ক্যারিয়ার নিয়ে ভাবনা নয় একজন নির্ভেজাল তরুণের প্রতিদিনের রুটিনে থাকা উচিত খানিকটা খেলাধুলা, খানিকটা আড্ডা কিংবা একটু নেটে দুনিয়াটা দেখে নেওয়া ইত্যাদি কাজও। মনে রাখুন, বন্ধুদের সাথে মজা করতে করতেও অনেক কিছুই শেখা যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

x