ঢাকা,রবিবার ০৪ জুলাই ২০২১, ০২:৩৫ অপরাহ্ন
সিনিয়রদের ব্যাটিং ও মিরাজের ঘূর্ণিতে টাইগারদের জয়
দৈনিক ডাক অনলাইন ডেস্ক

শ্রীলঙ্কাকে ৩৩ রানে হারিয়ে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের অভিযান শুরু করল বাংলাদেশ। তিন সংস্করণ মিলিয়ে ১০ ম্যাচ পর ধরা দিল কাঙ্ক্ষিত জয়।

আজ রোববার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে মিরপুরে টসে জিতে ব্যাটিং নিয়েছিলো বাংলাদেশ। তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম এবং মাহমুদউল্লাহর অর্ধশতকে ভর করে ২৫৭ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। জবাবে ব্যাট করতে নেমে মেহেদী হাসান মিরাজ এবং মোস্তাফিজুর রহমানের বোলিং তোপে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২২৪ রান সংগ্রহ করে সফরকারী শ্রীলঙ্কা। ফলে ৩৩ রানে জয় পেয়ে সিরিজে ১-০ লিডে এগিয়ে গেলো বাংলাদেশ।

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে টপ অর্ডারের মধ্যে একাই থিতু ছিলেন তামিম ইকবাল। অধিনায়ক হিসেবে টসে জিতে প্রতমে ইয়াটিং নেয়ার সিদ্ধান্ত সঠিক প্রমাণ করলেন নিজে অর্ধশতক করে। লিটন দাস এবং সাকিব আল হাসান তাকে উপযুক্ত সঙ্গ দিতে ব্যর্থ হলেও মুশফিকের সাথে জুটি গড়ে দলকে নিরাপদ স্থানে এগিয়ে দেন তিনি।

তামিম আউটের পরের বলেই মিঠুন শূণ্য রানে ফিরলেও হতাশ করেনি মাহমুদউল্লাহ-মুশফিক জুটি। শতোর্ধ্ব রানের জুটির গড়ার পাশাপাশি দুজনেই করেছেন অর্ধশতক। মুশফিক ৮৪ এবং মাহমুদউল্লাহ ৫৪ করে সাজঘরে ফেরার পর আফিফ হোসেন এবং সাইফুদ্দিনের ছোট কিন্তু সময়োপযোগী ইনিংসে লড়াকু স্কোর দাঁড় করায় বাংলাদেশ।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে বেশ বিপাকে পড়ে শ্রীলঙ্কা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকা দলটি চতুর্থ উইকেটে ৪১ রানের জুটি পেয়েছিলো ওপেনার এবং অধিনায়ক কুশল পেরেরা এবং কুশল মেন্ডিসের ব্যাট থেকে। তবে পরে সেখানে আঘাত হানেন মিরাজ। ১০ ওভারে দুটি মেডেনসহ মাত্র ৩০ রান দেন মিরাজ, বিনিময়ে তুলে নেন দানুশকা গুণাথিলাকা, কুশল পেরেরা, ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা এবং আশেন বান্দারার উইকেট।

একমাত্র বিপদ হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন সাতে নামা ভানিন্দু হাসারাঙ্গা ডি সিলভা। এই বোলিং অলরাউন্ডার মাত্র ৬০ বলে ৭৪ রান করে দলকে দেখাচ্ছিলেন জয়ের  স্বপ্ন। তবে দলীয় ২১১ রানের সময় শেষ পর্যন্ত তাকে ফিরিয়েছেন স্টক বোলার সাইফুদ্দিন। তাকে নিজের দ্বিতীয় ক্যাচে পরিণত করেছিলেন আফিফ। এরপর আর বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি সফরকারীদের ইনিংস। বাকি দুই উইকেট তুলে নেন পায়ে আঘাত পেয়ে দুই ওভারের জন্য মাঠের বাইরে থাকা মোস্তাফিজ।

এমন জয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে অবশ্য বেশ স্বস্তিতে থাকবে বাংলাদেশ। তবে মোস্তাফিজ বাকিটা সময় ছোট রানআপে বল করেছেন, মারও খেয়েছেন। অন্যদিকে ব্যাটসম্যানরা রীতিমতো নিজের উইকেট বিলিয়ে দিয়ে এসেছেন ক্রিজে। সব মিলিয়ে অনেক উন্নতির জায়গা আছে বাংলাদেশের জন্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *