ঢাকা,রবিবার ০৪ জুলাই ২০২১, ০২:৩৫ অপরাহ্ন
মান্দায় চাঁদা না দেওয়ায় সাংবাদিকের ধান কেটে নিয়ে গেল দুর্বৃত্তরা
দৈনিক ডাক অনলাইন ডেস্ক

আমিনুর রহমান খোকন মহাদেবপুর নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর মান্দায় চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় সাংবাদিক বরুণ মজুমদারের ৬ বিঘা জমির বোরো ধান লুট করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। গত রোববার (২ মে) গভীররাতে উপজেলার ঘাটকৈর গ্রামের মাঠে ধান লুটের  ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বুধবার (৫ মে) রাতে মান্দা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক বরুণ মজুমদার বলেন, ‘আমার জন্মস্থান মান্দা সদর ইউনিয়নের ঘাটকৈর গ্রামে। বর্তমানে আমি সপরিবারে নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলা সদরের ঘোষপাড়া এলাকায় বসবাস করছি। বাবার মৃত্যুর পর ঘাটকৈর মৌজায় পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া ১৩ বিঘা জমিতে চাষাবাদ করে আসছিলাম। জমিতে চাষাবাদের সময় মাঝে মধ্যেই চাঁদা দাবি করে আসছিল কালিকাপুর বাজারের মহাদেব কুন্ডু ও ঘাটকৈর গ্রামের সোহেল রানা নামের দুইব্যক্তি।’

সাংবাদিক বরুণ মজুমদার অভিযোগ করে বলেন, ‘চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় মহাদেব কুন্ডু ও সোহেল রানা আমার ভোগদখলীয় সম্পত্তি জবরদখলের হুমকি দিতে থাকে। গত ২৬ এপ্রিল আবারও ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে তারা। চাঁদা না দিলে ভোগদখলীয় সম্পত্তির বোরো ধান লুট করারও হুমকি দেয়া হয়।’

‘জের ধরে গত রোববার গভীর রাতে মহাদেব কুন্ডু ও সোহেল রানার নেতৃত্বে প্রলয় কুন্ডু (মলয়), আলমগীর হোসেন সবুজ, রজব আলী মৃধা, প্রদীপ কুন্ডু, মোস্তাফিজুর রহমান (মোস্ত)সহ অজ্ঞাতনামা ৫০-৬০ জন ভাড়াটিয়া লোক দেশিয় অস্ত্রে সংঘবদ্ধ হয়ে ৬ বিঘা জমির পাকা বোরো ধান লুট করে নিয়ে যায়।’

সাংবাদিক বরুণ মজুমদার আরও বলেন, ‘ধান লুটের বিষয়টি বর্গাদার মুনছের আলী রোববার ভোরে মোবাইলফোনে অবহিত করে। তাৎক্ষনিক বিষয়টি মান্দা থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়। পরবর্তীতে মোটরসাইকেলযোগে ঘটনাস্থলে এসে ধানকাটতে বাঁধা প্রদান করলে মহাদেব কুন্ডুর হাতে থাকা হাঁসুয়া দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত করলে আমি পালিয়ে রক্ষা পাই। এ ঘটনায় উল্লেখিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মান্দা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।’

মান্দা থানার অফিসার ইনাচার্জ (ওসি) শাহিনুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, চাঁদা দাবি ও ধানের লুটের ঘটনায় মান্দা থানায় একটি মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *