ঢাকা,রবিবার ০৪ জুলাই ২০২১, ০২:৩৫ অপরাহ্ন
মাদারীপুরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষন মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার
দৈনিক ডাক অনলাইন ডেস্ক

মাদারীপুরের শিবচরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি সোহান ভূইয়া(২২)কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৫ জুন) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার পাঁচ্চর বাজারের কাছ থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। তবে শনিবার (২৬ জুন) গনমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন শিবচর থানা পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত সোহান উপজেলার ভান্ডারীকান্দি ইউনিয়নের ক্রোকচর নতুন বাজার এলাকার আবু কালাম ভূইয়ার ছেলে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, শিবচর উপজেলার ভদ্রাসন ইউনিয়নের ভদ্রাসন জে সি একাডেমির নবম শ্রেণীর ১৪ বছর বয়সী এক ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করে সোহান। এক পর্যায় বিয়ের প্রতিশ্রতি দিয়ে গত রমজান মাসে শিবচর পৌরসভা এলাকায় ওই মেয়ের বাড়ীতে এসে সোহান আংটি ও নাকের ফুল উপহার দেয়।

ওই রাতে পরিবারের লোকের অজান্তে মেয়ের ঘরে প্রবেশ করে। পরে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। এরপর মেয়ের পক্ষ থেকে সোহানকে চুড়ান্ত ভাবে বিয়ে করার জন্য চাপ দিতে থাকলে কৌশলে কেটে পড়ে ওই ধর্ষক। পরে গত ২৬ মে তারিখে মেয়েটির মা বাদি হয়ে শিবচর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেন। মামলার পর থেকেই আত্মগোপনে ছিল সোহান।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ভদ্রাসন পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরে আলম মিয়া বলেন, আমাদের উপরে অর্পিত দায়িত্ব যথাযথ ভাবে পালনের ক্ষেত্রে আমরা অনেক ধরণের কৌশল অবলম্বন করে থাকি। মামলার পরে আমরা সোহানকে খুঁজতে থাকি। এক সময়ে জানতে পারি আসামি ঢাকায় পলাতক রয়েছে।একবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকায় গিয়েও তাঁকে আটক করতে পারিনি।

পরে আসামির বাবার সাথে পারিবারিক সম্পর্ক করার চেষ্টা করি। একপর্যায় আসামীর বাবা তাঁর ওই ছেলেকে বিয়ে করাবে বলে জানায়। তাদের চাহিদা মত সুন্দরী এক মেয়ের ছবি দেখাই। পরে পছন্দ হলে আসামীর সাথে বিয়ে দেব বলিয়া আসামীর বাবার সাথে কথাবার্তা বলতে থাকি।

এমনকি পাত্রীর পিতা অনেক টাকা পয়সার মালিক বলে আসামীর বাবাকে আশ্বস্ত করলে তিনি তার ছেলের জন্য ওই মেয়ে দেখতে রাজি হন। পরবর্তীতে আসামীর পিতা গতকাল মেয়ে দেখানোর জন্য আসামীকে ঢাকা থেকে নিয়ে আসে এবং আসামীকে পথিমধ্যে গ্রেফতার করি।

শিবচর থানার ওসি মো. মিরাজ হোসেন জানান, আসমিকে আটক করে কোর্টের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরন করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *