ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ থানার এওয়াজপুর থেকে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৮ জুন) এওয়াজপুর ৪নং ওয়ার্ডে ওই গৃহবধূর শ্বশুরবাড়ির পুকুর পাড়ে গাছের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। গৃহবধূ জেসমিন ওই গ্রামের আবুল কালামের স্ত্রী। এদিকে লাশ উদ্ধার পর থেকে গৃহবধূর স্বামী পলাতক।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তাদের দুই বছর পূর্বে বিয়ে হয়। সংসার জীবনে প্রথম থেকেই স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে কলহ চলে আসছিল। রোববার রাতে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। সোমবার সকালে ওই গৃহবধূর সৎ শাশুড়ি ঘুম থেকে উঠে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে আসে। তখন ছেলেও ঘুম থেকে উঠে আসে। পুলিশ খবর পেয়ে ওই গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
জেসমিনের মা নুরজাহান অভিযোগ করে বলেন, তার মেয়েকে যৌতুকের দাবিতে এমনটা করেছে শ্বশুরবাড়ির লোকেরা। প্রায় ৪ লক্ষ টাকা যৌতুক নেওয়ার পরে আবারও ৫০ হাজার টাকা যৌতুকের জন্য তার মেয়েকে প্রতিনিদিন চাপ সৃষ্টি করে আসছিল। জেসমিনের পরিবার টাকা না দেওয়ায় কয়েকবার তার বাবার বাসায় পাঠিয়ে দেয়। তার জের ধরে স্বামী এবং তার শ্বশুর-শাশুড়ি মেরে তার মরদেহ গাছের সাথে ঝুলিয়ে রাখে।
শশীভূষণ থানার ওসি রফিকুল ইসলাম সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে জানা যাবে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা।
Leave a Reply