ঢাকা,রবিবার ০৪ জুলাই ২০২১, ০২:৩৫ অপরাহ্ন
পরীমনি আমাকে ফাঁসিয়েছেঃ নাসির
দৈনিক ডাক অনলাইন ডেস্ক

দেশের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পরীমনিকে ধর্ষণচেষ্টা, হত্যাচেষ্টা ও পুলিশের করা মাদক মামলায় জামিনে মুক্তি পাওয়া ব্যবসায়ী নাসির ইউ আহমেদ নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন, আমি কোনো অন্যায় করিনি। পরীমনির মিথ্যা অভিনয়ে ভিকটিম হয়ে গেলাম। আমাকে পরীমনি অভিনয় করে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসিয়েছে। আশা করি, তদন্তকারী সংস্থা সঠিক বিষয়টি তুলে আনবে।

ঢাকার সাভার থানায় পরীমনির করা ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা মামলায় মঙ্গলবার (২৯ জুন) আদালতে জামিন পান নাসির ইউ আহমেদ। পর দিন বুধবার (৩০ জুন) বিমানবন্দর থানায় করা মাদক মামলায়ও জামিন পান তিনি। এরপর বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) সন্ধ্যায় কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি।

তার বিরুদ্ধে মামলার পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার (৩ জুলাই) তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা জানান।

নাসির ইউ আহমেদ বলেন, পরীমনি সংবাদ সম্মেলনে চোখে গ্লিসারিন লাগিয়ে কান্নার নাটক করেছেন। সংবাদ সম্মেলনজুড়ে তিনি অভিনয় করেছেন। পরীমনির অভিনয়ের কারণে আমি ভিকটিম হয়েছি। প্রকৃত ঘটনাকে আড়াল করতে পরীমনি অভিনয় করেছে। তার অভিনয়ে আমি ফেঁসে গেছি। তবে আমি আশা করি, মামলার তদন্তে প্রকৃত রহস্য বের হয়ে আসবে এবং আমি ন্যায়বিচার পাব।

তিনি বলেন, ঘটনার রাতে পরীমনি প্রথমে বনানী যায়। সে অসুস্থ থাকায় তাকে পুলিশ হাসপাতালে পাঠায়। পরে সে মামলা না করে সংবাদ সম্মেলন ডেকে অভিনয় করে। সে প্রকৃত রহস্য ডাকার জন্য সংবাদ সম্মেলন করে কারও প্ররোচনায় আমার বিরুদ্ধে মামলা করেছে। দেশের যে কোনো নাগরিকের মামলা করার অধিকার আছে। তবে তদন্তে পরীমনির অভিনয় উঠে আসবে এবং প্রকৃত রহস্য বের হবে বলে আমি আশা করি।

পরীমনির বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করতে পারেন উল্লেখ করে ব্যবসায়ী নাসির বলেন, হয়তো আমি তার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করব। যেহেতু এখন আমি জামিনে আছি এবং মামলাগুলো তদন্তাধীন সেহেতু এখন কোনো পদক্ষেপ নেব না। তবে মামলার তদন্ত শেষ হলে আমার পরামর্শকদের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব।

মাদক মামলার বিষয়ে তিনি বলেন, যে বাসাটিতে মাদক পাওয়া গেছে সেই বাসাটি আমার না। তাই এ বিষয়ে কিছু বলতে চাই না। তদন্তে প্রকৃত রহস্য বের হয়ে আসবে।

পরীমনির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৩ জুন নাসির ইউ মাহমুদ ও তুহিন সিদ্দিকী অমিকে উত্তরার একটি বাসা থেকে মাদকসহ আটক করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। ওই দিনই বিমানবন্দর থানায় পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে মাদকের মামলা করে। পরে তাদের পরীমনির মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *