নওগাঁর রানীনগরে একটি ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, বিজ্ঞ আদালতে দুই আসামির স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান ও লাশ বহনকারী একটি পিকআপ জব্দ করেছে পুলিশ। আজ দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার প্রকৌশলী আবদুল মান্নান মিয়া।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার আরো জানান-১৮ এপ্রিল আত্রাই উপজেলার বাউল্ল্যাপাড়া গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে শহীদুল ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা নিয়ে কাকরা ট্রলি কেনার জন্য নওগাঁ শহরে যায়। কিন্তু সেই দিনই সন্ধ্যার পর থেকে পরিবারের লোকজন তার কোন আর সন্ধান পায় নাই। পরদিন পুলিশ রানীনগর উপজেলা থেকে অজ্ঞাতনামা তার লাশ উদ্ধার করে।
পরে থানায় গ্রাম পুলিশ আব্দুল আজিজ বাদি হয়ে মামলার প্রেক্ষিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। পরে এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ ৪ জনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করে, ২দিনের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার তথ্য পাওয়া যায়। সেই তথ্যর ভিত্তিতে ঘটনায় জড়িত থাকায় আরও দুই আসামিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে জিজ্ঞাসাবাদে শহীদুলকে একটি ভাড়া বাসায় হত্যা তার কাছে থাকা টাকা নিয়ে মান্দার সতীহাট থেকে একটি পিকআপে করে ড্রামের ভিতর ভরে লাশটি উক্ত স্থানে ফেলে রেখে চলে আসে। পরে আসামীরা পুলিশের কাছে এবং আদালতে কাছে নিজেদের হত্যাকান্ডের জড়িত থাকার ১৬৪ ধারা স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের উদ্বোর্ধতন কর্মকর্তা ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
Leave a Reply