ঢাকা,রবিবার ০৪ জুলাই ২০২১, ০২:৩৫ অপরাহ্ন
দেশে আসছে আরও ১ কোটি ২৯ লাখ ডোজ টিকা আসছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
দৈনিক ডাক অনলাইন ডেস্ক

দেশে আসছে আরও ১ কোটি ২৯ লাখ ডোজ টিকা আসছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আগস্টের মধ্যে আরও ১ কোটি ২৯ লাখ টিকা দেশে পৌঁছাবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। সোমবার (১৯ জুলাই) শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এই এক কোটি ২৯ লাখ টিকার মধ্যে অ্যাস্ট্রাজেনেকার ২৯ লাখ, সিনোফার্মের ৪০ লাখ এবং জনসন অ্যান্ড জনসনের ৬০ লাখ টিকা রয়েছে। এরমধ্যে সিনোফার্মের ৪০ লাখ টিকার ১০ লাখ উপহার হিসেবে পাওয়া যাবে। বাকী ৩০ লাখ কেনা হয়েছে।

টিকার বয়সসীমা ১৮তে নামিয়ে আনা হবে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, সরকারের অক্লান্ত পরিশ্রমের কারণে অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার পর ফাইজার, মডার্না এবং সিনোফার্ম থেকেও কোভিড-১৯ এর টিকাপ্রাপ্তি নিশ্চিত হয়েছে। এখন দ্রুত আরও বেশি মানুষকে টিকার আওতায় আনতে বয়সসীমা কমিয়ে আনা হবে।

এর আগে, সোমবার (১৯ জুলাই) সন্ধ্যায় কাতার এয়ারওয়েজের বিশেষ ফ্লাইটে যুক্তরাষ্ট্রের মডার্নার তৈরি করোনাভাইরাসের আরও ৩০ লাখ টিকা ঢাকায় পৌঁছে। এ নিয়ে কোভ্যাক্সের মাধ্যমে বাংলাদেশকে মডার্নার ৫০ লাখ টিকা উপহার দিল যুক্তরাষ্ট্র।

এর আগে গত শনিবার (১৭ জুলাই) ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলারও এক টুইটে টিকা আসার বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন।

ওই টুইট বার্তায় রাষ্ট্রদূত জানিয়েছিলেন, অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে আরও ৩০ লাখ ডোজ মডার্নার টিকা উপহার হিসেবে দেওয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশসহ বিশ্বে টিকা সরবরাহ বাড়িয়ে করোনাকে পরাজিত করা এবং কোভিডমুক্ত পৃথিবী গড়ার লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্র অঙ্গীকারবদ্ধ।

২২ জুন হোয়াইট হাউস করোনার টিকার বৈশ্বিক উদ্যোগ কোভ্যাক্সের মাধ্যমে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার ৮টি দেশের পাশাপাশি এশিয়ার ১৮টি দেশকে নতুন করে এক কোটি ৬০ লাখ টিকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করে।

এছাড়া বিশ্বের আরও ৩০টি দেশ ও জোটকে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি যে এক কোটি ৪০ লাখ টিকা দেবে, সেই তালিকায়ও রয়েছে বাংলাদেশের নাম।

জুনের ৩ তারিখ হোয়াইট হাউস আড়াই কোটি টিকা বণ্টনের ঘোষণা দিয়েছিল। তাতেও এশিয়ার দেশগুলোর জন্য ৭০ লাখ টিকা যেসব দেশে দেওয়া হবে, তার মধ্যে বাংলাদেশকে রাখা হয়েছে।

কোভ্যাক্সের পূর্ণাঙ্গ রূপ হলো কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনস গ্লোবাল অ্যাকসেস ফ্যাসিলিটি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ছাড়াও উদ্যোগটির সঙ্গে রয়েছে কোয়ালিশন ফর এপিডেমিক প্রিপেয়ার্ডনেস ইনোভেশন এবং দাতব্য সংস্থা গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন অ্যান্ড ইমিউনাইজেশন (জিএভিআই)।

এ উদ্যোগের লক্ষ্য হচ্ছে, ভ্যাকসিন মজুত করে না রেখে ধনী-গরিব নির্বিশেষে সর্বোচ্চ ঝুঁকির দেশগুলোতে তা বণ্টন করার জন্য বিভিন্ন দেশের সরকারকে উৎসাহিত করা।

এর আগে চলতি মাসের প্রথমেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে মডার্নার ২৫ লাখ টিকা দেশে এসেছে। একই সঙ্গে চীন থেকে সিনোফার্মের ২০ লাখ টিকাও আসে। এরপরই সারা দেশে প্রথম ডোজের সিনোফার্ম টিকার প্রয়োগ শুরু হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *