ঢাকা,রবিবার ০৪ জুলাই ২০২১, ০২:৩৫ অপরাহ্ন
ঠাকুরগাঁওয়ে বিস্কুটের লোভ দেখিয়ে শিশুকে লাগাতার ধর্ষণ
দৈনিক ডাক অনলাইন ডেস্ক

ঠাকুরগাঁওয়ে চকলেট ও বিস্কুট খাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৭ বছরের এক শিশুকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে জয়ন্ত শর্মা (৩৮) নামে এক নরসুন্দরের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গত সোমবার (৩১ মে) বিকেলে সদর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা রুজু করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার।

এর আগে রবিবার সন্ধ্যায় ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা আউলিয়াপুর ইউনিয়নের বকুলতলা গ্রামে এ ঘটনা প্রকাশ পায়। বর্তমানে ওই শিশুটি ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। গত সোমবার দুপুরে ক্ষতিগ্রস্থ শিশুটির ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।

অভিযুক্ত ধর্ষক জয়ন্ত শর্মা আউলিয়াপুর ইউনিয়নের বকুলতলা গ্রামে মৃত গোপাল শর্মার ছেলে এবং পেশায় একজন নরসুন্দর। ঘটনা জানাজানির পর থেকে অভিযুক্ত জয়ন্ত শর্মা আত্মগোপনে রয়েছে।

ভুক্তভোগী শিশুটির মা জানান, অভিযুক্ত জয়ন্ত শর্মার বাড়ি আর তাদের বাড়ি একই গ্রামে। তার ৭ বছরের শিশুকন্যা প্রতিদিনের মতো রবিবার বিকালে বাড়ির পাশেই প্রতিবেশি অন্যান্য ছেলে-মেয়েদের সাথে খেলা করছিল। ওইদিন সন্ধ্যায় জয়ন্ত খেলার স্থানে গিয়ে তার মেয়ের হাতে একটি বিস্কুটের প্যাকেট দিয়ে ইশারায় তার ঘরে আসতে বলে। এ দৃশ্য অন্যান্য খেলার সাথীরা দেখতে পায় এবং তাকে বিস্কুট দেয়ার কারণ জানতে চাইলে অন্যান্য খোলার সাথীদের জয়ন্তের কুকর্মের কথা জানায় মেয়ে। পরে প্রতিবেশি একজন অভিভাবক এবিষয়টি তাকে জানায়। এছাড়া রাতে মেয়ের কাছে জিজ্ঞাসা করলে তিনি ঘটনার সত্যতা জানতে পারেন।

শিশুটির মা আরো জানান, চলতি মাসের ১৪ মে ঈদের দিন থেকে জয়ন্ত চকলেট ও বিস্কুটের প্রলোভন দেখিয়ে তার মেয়েকে বেশ কয়েকবার ধর্ষণ করে এবং এবিষয়ে কাউকে না বলার জন্য ভয়ভীতি দেখায়।

সোমবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে শিশুটিকে ভর্তি করানো হয় এবং বিকালে মেয়ের বাবা বাদি হয়ে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা: নাদিরুল আজিজ চপল জানান, ক্ষতিগ্রস্থ শিশুটির ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে, বর্তমানে শিশুটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

সদর থানার ওসি তানভিরুল ইসলাম জানান, এবিষয়ে সদর থানায় একটি মামলা রুজু হয়েছে। আসামীকে ধরতে পুলিশের একাধিক টিম অভিযান অব্যাহত রেখেছে বলেও জানান তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *