ঢাকা,রবিবার ০৪ জুলাই ২০২১, ০২:৩৫ অপরাহ্ন
কলকারখানার দূষিত বর্জ্য, লাখাইয়ে নদী-খাল-বিলে মাছ কম: কষ্টে জেলেরা
দৈনিক ডাক অনলাইন ডেস্ক

নদীগুলোতে আর আগের মতো মাছ নেই। এক সময় আমাদের বাড়িতে মাছের গন্ধে থাকা যেতো না। আর এখন নিজের পরিবারের প্রয়োজনীয় মাছ পাওয়া যাচ্ছে না’।হাওর অঞ্চল বেষ্টিত এ উপজেলার লাখাই ইউনিয়ন বুল্লা ইউনিয়নের মানুষ   আষাঢ় মাস হলে এই  মাছ ধরার কাজে ব্যাস্ত হয়ে পড়ে বেশী   গত শুক্রবার   উপজেলার স্বজনগ্রামের  খালে মাছ ধরতে আসা এলাকার লাফু মিয়া এভাবেই আফসোস করে কথাগুলো বলেন। মাছের জন্য নদীর পাড়ে অনেক জেলের বসবাস করেন। মাছ ধরে বিক্রি করেই তারা জীবিকা নির্বাহ করে। নদীর সঙ্গে যাদের বাড়ি তারা কোন না কোনভাবে নদী আর মাছের সঙ্গে যুক্ত আছেই। নদী যেন তাদের নাড়ির সঙ্গে এক সূত্রে গাঁথা। একই এলাকার জেলে দিরেন্দ্র দাস বলেন, ‘আমরা গরিব মানুষ। মাছ ধরেই জীবিকা নির্বাহ করি। কিন্তু নদীতে মাছ না থাকায় অতিকষ্টে পরিবার নিয়ে বেঁচে আছি’। অতি সূক্ষ খরা জাল দিয়েও এখন দেশীয় নানা প্রজাতির মাছ এ অঞ্চলের নদ-নদী ও খাল-বিলগুলো থেকে হারিয়ে যাওয়ার পথে রয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্যজীবীরা। এলাকাবাসী বলছেন, শিং, মাগুর, কৈ, মহাশৈল, গজার, বোয়াল, বাইন, টেংরা, পাবদাসহ এসব মাছ এখন আর গ্রামাঞ্চলের হাট-বাজারগুলোতে খুব একটা চোখে পড়ে না। বর্ষার শুরু ও শেষ সময়ে নদী, নালা, খাল-বিল, পুকুর ডোবা থেকে প্রচুর পরিমাণ দেশীয় জাতের ছোট বড় অনেক মাছ পাওয়া যেত। সে মাছ ধরার জন্য গ্রাম বাংলার সকল শ্রেণীর মানুষ মাছের জন্য নদীর তীর, খাল, ডোবার পাশে মাছ ধরায় কাজে ব্যস্ত থাকত।

এখন সে মাছ নেই বললেই চলে। জেলার  শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা অলিপুরের   শিল্পকারখানা দ্রুতগতিতে ঘড়ে ওঠায় কলকারখানার দূষিত ও বিষাক্ত  বর্জ্য ও অপরিকল্পিতভাবে সুতাং নদী দিয়ে ধলেশ্বরী নদীতে    ফলে প্রকৃতির ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। বিষাক্তবর্জ্য দূষিত করছে পানি আর বিলুপ্ত হচ্ছে দেশীয় মাছ।  জনসংখ্যার চাপে পরে দ্রুত ফসল ফলাতে জমিতে কীটনাশক ব্যবহারে মাছের ক্ষতি হচ্ছে এবং অন্যদিঘে

এর ফলে দিন দিন দেশীয় মাছ বিলুপ্ত হতে চলেছে। এছাড়া ও বিদেশী চাই (ম্যাজিক চাই) ও নিষিদ্ধ কারেন্ট জালে ছোট ছোট পোনা মাছ নিধন করার ফলেও মাছের উৎপাদন কমে গেছে তাই ডোবা নালায় দেশি প্রজাতির যেই পরিমাণ মাছ আগে পাওয়া যেত এখন সেই ডোবা নালা ভরাট করার ফলে ডোবা নালায় আর মাছ নেই। চাষের মাছের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে দেশের মাছের চাহিদা পূরণে। কিছুদিন আগে  দেশীয় মাছ বাজারে উঠলেও  উপজেলার লাখাই বাজারে নতুন করে মাছের আরৎ খোলায় খুচরা মাছ বিক্রি না হওয়ায় সাধারণ মানুষ কোন মাছ পাচ্ছে না ।   আরৎদাররা মাছ কিনে পাইকারী  অনর্থ বিক্রি করছে। এ বিষয় লাখাই প্রেসক্লাবের সভাপতি এডঃ আলি নওয়াজ বলেন আলিপুরের কলকারখানার দূষিত বজ্র বন্ধ না হলে দেশীয প্রজাতির জলজ প্রাণী বা মাছ বিলুপ্তি হয়ে যাবে।   লাখাই রিপোর্টাস ইউনিটির সভাপতি মোঃ আলহাজ্ব বাহার উদ্দিন বলেন আলিপুরের বিভিন্ন  কলকারখানা দূষিত   বজ্রের ফলে নদী নালা খাল বিলের কাকরা ভেংঙ্গ সহ দেশীয সব মারা যাচ্ছে। ফলে দিন দিন মাছ কমে যাচ্ছে।   এ বিষয়ে বলেন, ঢাকায় অবস্থানরত লাখাই এর বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ শাহাজান মিয়া বলেন অলিপুরের কলকারখানার দূষিত বজ্র সুতাং হয়ে  ধলেশ্বরী নদীতে পড়ছে এর ফলে পানি দূষিত হয়ে মাছ মারা যাচ্ছে, এলাকার  মানুষ চর্ম রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *