ঢাকা,রবিবার ০৪ জুলাই ২০২১, ০২:৩৫ অপরাহ্ন
কবি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
দৈনিক ডাক অনলাইন ডেস্ক

‘ভালো আছি ভালো থেকো, আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো’ গানের শ্রষ্টা, তারুণ্য ও সংগ্রামের দীপ্ত প্রতীক কবি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকী সোমবার পালিত হয়েছে। দিনটির স্মরণে রুদ্র স্মৃতি সংসদ দুপুরে কবির গ্রামের বাড়ি বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার মিঠাখালিতে কবির কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ, মিলাদ মাহফিল, দোয়া ও স্মরণসভার আয়োজন করে। করোনাকালীন দুর্যোগের কথা মাথায় রেখে এবার সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সীমিত পরিসরে রুদ্র স্মৃতি সংসদ এ আয়োজন করে।
অকাল প্রয়াত এই কবি যাবতীয় অসাম্য, শোষণ ও ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে কলম ধরেছেন। একই সঙ্গে তার কাব্যের আরেক প্রান্তর জুড়ে রয়েছে স্বপ্ন, প্রেম ও সুন্দরের মগ্নতা। দেশ ও জাতির সংকটে রুদ্রের কবিতা হয়ে উঠেছে তারুণ্যের দীপ্ত হাতিয়ার। বাংলাদেশের কবিতায় অবিস্মরণীয় এই কবির শিল্পমগ্ন উচ্চারণ তাকে দিয়েছে সত্তরের অন্যতম কবি-স্বীকৃতি। ১৯৯১ সালের ২১ জুন মাত্র ৩৫ বছর বয়সে তিনি মারা যান।

বাগেরহাটের মোংলায় স্মরণসভায় রুদ্র স্মৃতি সংসদের সভাপতি সুমেল শারাফাতের সভাপতিত্ব বক্তব্য রাখেন, মোংলা উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট আহŸায়ক মো. নূর আলম শেখ, মিঠাখালি ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান উৎপল মন্ডল, আ্ওয়ামীলীগ নেতা মো. বিল্লাল হোসেন, উকিল উদ্দিন ইজারদার, সিপিবি নেতা নাজমুল হক, মাহারুফ বিল্লাহ, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের নেতা গীতিকার মোল্যা আল মামুন, রুদ্র সংসদের আসাদুজ্জামান টিটো, লিটন গাজী, বায়েজিদ হোসেন প্রমূখ।

স্মরণসভায় বক্তারা বলেন, কবি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ’র কবিতায় উপদ্রæত উপকূল অ লের গণমানুষের জীবন-জীবিকা ছিলো প্রধান উপজীব্য। মানুষের মানচিত্র’র মাধ্যমে তিনি মানুষের জীবন-জীবিকার লড়াই-সংগ্রামের চিত্র তুলে ধরে ইশতেহার ঘোষণা পর বলে ছিলেন ফিরে পেতে চাই স্বর্ণগ্রাম। এই কবি যাবতীয় অসাম্য, শোষণ ও ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে কলম ধরেছেন। একই সঙ্গে তাঁর কাব্যের আরেক প্রান্তর জুড়ে রয়েছে স্বপ্ন, প্রেম ও সুন্দরের মগ্নতা। দেশ ও জাতির সংকটে রুদ্রের কবিতা হয়ে উঠেছে তারুণ্যের দীপ্র হাতিয়ার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *