ঢাকা, রবিবার ২৪ অক্টোবর ২০২১, ০৯:০৭ অপরাহ্ন
ক্ষুধায় মিনিটে ১১ জনের মৃত্যু, করোনায় ৭: অক্সফামের গবেষণা
দৈনিক ডাক অনলাইন ডেস্ক

ক্ষুধায় বিশ্বে এক মিনিটে গড়ে ১১ জনের মৃত্যু হচ্ছে বলে নতুন এক রিপোর্টে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা অক্সফাম।

রিপোর্ট অনুযায়ী, গত বছরের তুলনায় এ বছর বিশ্বে দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতিতে পড়া মানুষের সংখ্যা ছয় গুণ বেড়েছে।

শুক্রবার প্রকাশিত ‘দ্য হাঙ্গার ভাইরাস মাল্টিপ্লাইস’ শীর্ষক ওই প্রতিবেদনে সংস্থাটি বলছে, বিশ্বে করোনায় রোজ যত মানুষ মারা যাচ্ছে, এর চেয়ে বেশি মারা যাচ্ছে ক্ষুধায়। করোনায় যেখানে মিনিটে ৭ জনের মৃত্যু হচ্ছে সেখানে ক্ষুধায় মারা যাচ্ছে ১১ জন।

গত বছরের জুলাইয়ে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে অক্সফাম সতর্ক করে বলেছিল, করোনার প্রাদুর্ভাব বিশ্বের ক্ষুধা সংকটকে আরও খারাপ পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। করোনার সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিরূপ প্রভাবে সৃষ্ট ক্ষুধায় প্রতিদিন ১২ হাজার মানুষ মারা যেতে পারে।

দাতব্য সংস্থাটি বলছে, বিশ্বজুড়ে ১৫৫ মিলিয়ন মানুষ খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার চেয়ে খারাপ বা আরও খারাপ সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে যা গত বছরের চেয়ে প্রায় ২০ মিলিয়ন বেশি। এর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ খেতে পারে না কারণ তাদের দেশ সামরিক সংঘাত চলছে।

মহামারির প্রাদুর্ভাব ও এর ফলে সৃষ্ট অর্থনৈতিক পরিণতির কারণে ইয়েমেন, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (ডিআরসি), আফগানিস্তান এবং ভেনেজুয়েলাসহ এমন অনেক দেশে বিদ্যমান খাদ্য সংকট আরও প্রকট আকার ধারণ করেছে বলে জানানো হয়েছে প্রতিবেদনে।

অক্সফাম বলছে, এর তিনটি প্রধান কারণ হলো কোভিড-১৯, জলবায়ু সংকট এবং সংঘাত। মহামারির প্রাদুর্ভাব শুরুর পর থেকে যুদ্ধগুলো ক্ষুধার একক বৃহত্তম চালক ছিল যা ২৩টি দেশের প্রায় ১০০ মিলিয়ন মানুষকে খাদ্য সংকটের আরও খারাপ স্তরে ঠেলে দিয়েছে।

অক্সফামের আমেরিকার আঞ্চলিক প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী আবি ম্যাক্সম্যান বলেন, ‘ক্ষুধায় মানেুষের মৃত্যু সংখ্যা একজন হলেও সেটা অনেক। সহিংসতা ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বজুড়ে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। এছাড়াও বিশ্বজুড়ে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা বাড়ার ক্ষেত্রে করোনার কারণে সৃষ্ট মহামারি প্রভাব বিস্তার করছে।

2 responses to “ক্ষুধায় মিনিটে ১১ জনের মৃত্যু, করোনায় ৭: অক্সফামের গবেষণা”

  1. … [Trackback]

    […] Information on that Topic: doinikdak.com/news/34527 […]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x