ঢাকা, শনিবার ১০ জুন ২০২৩, ০৩:০৩ পূর্বাহ্ন
নেছারাবাদে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় আহত-৫
মোঃ রুহুল আমীন নেছারাবাদ (পিরোজপুর)

নেছারাবাদে দুই ইউপি সদস্য ও সমর্থকদের মধ্যে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় ৫ জন গুরুতর আহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে আটঘর-কুড়িয়ানা ইউনিয়নের মাহামুদকাঠি বাজারে নব নির্বাচিত ইউপি সদস্য জহিরুল ইসলাম ও মুহিদ মাহমুদের সমর্থকদের মধ্যে ওই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সরেজমিনে জানা যায়, নির্বাচনের দিন রাতে ওই ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের মেম্বর প্রার্থী মুহিদ মাহমুদ ও তার প্রতিদ্বন্দি আসিফ ইকবাল সোহেলের সমর্থকদের মধ্যে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ হলে মুহিদ সমর্থক পোল্ট্রি খাদ্য ব্যবসায়ী রুহুল আমিন আহত হয়।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মুহিদের সমর্থকরা মাহামুদকাঠি বাজারে হরতাল দেওয়ার ঘোষনা করে। ঘটনার বিষয়ে মিমাংসার প্রস্তাব নিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে পার্শবর্তী ৯নং ওয়ার্ডের নব নির্বাচিত সদস্য জহিরুল ইসলাম, সদস্য প্রার্থী সোহেলকে নিয়ে মাহামুদকাঠী বাজারে যায়। এসময় মুহিদ ও তার সর্থকরা উত্তেজিত হয়ে জহির ও সোহেলের ওপর হামলা চালায়। হামলায় ইউপি সদস্য জহির সহ তার সমর্থক জয়, কবির, রাসেল ও মজিবর গুরুতর আহত হয়। একপর্যায় খালের অপর পারে থাকা জহিরের সমর্থকরা ছুটে গেলে সেখানে দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। সংবাদ পেয়ে নেছারাবাদ থানার ওসি আবির মোহাম্মদ হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ ও নব নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান মিঠুন হালদার ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। সংঘর্ষে আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।

এ ব্যাপারে থানায় উভয়পক্ষ অভিযোগ দায়ের করেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধীক ব্যক্তি জানান, সংঘর্ষের প্রকাশ্যে দুই ইউপি সদস্য হলেও নেপথ্যে বিরোধটা দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে। হামলাকারী ইউপি সদস্য মুহিদ ও তার সমর্থকরা ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও নৌকা মার্কার পরাজিত প্রার্থী শেখর কুমার সিকদারের অনুসারি এবং হামলায় আহত ইউপি সদস্য জহিরসহ অন্য আহতরা নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মিঠুন হালদারের অনুসারি আনারস প্রতীকের সমর্থক বলে জানা গেছে। নেছারাবাদ থানার ওসি আবির মোহাম্মদ হোসেন জানান, দুই পক্ষের দু’টি অভিযোগ পেয়েছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে পুলিশ মোতায়েন আছে। তদন্ত শেষে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

x