ইরানের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হতে চলেছেন ইব্রাহিম রাইসি। কট্টরপন্থী মনোভাবাপন্ন এই রাজনীতিবিদ বিপুল ভোটে নির্বাচনে জিততে চলেছেন বলে জানা গেছে। শনিবার (১৯ জুন) এ খবর দিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি।
উপ-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জামাল অর্ফ জানিয়েছেন, ২ কোটি ৮৬ লাখ মানুষ শুক্রবারের নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। প্রেস টিভির এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ৯০ শতাংশ ভোট গণনা হয়েছে। এর মধ্যে ৬২ শতাংশ ভোট পেয়েছেন রাইসি। তাকে ভোট দিয়েছেন ১ কোটি ৭৮ লাখ মানুষ।
২০১৯ সালে ইরানের বিচার বিভাগের প্রধান হিসেবে রাইসিকে নিয়োগ দেন আয়াতুল্লাহ খোমেনি। ইরানের প্রভাবশালী ‘রেভুলোশনারি গার্ড’দেরও সমর্থন রয়েছে রাইসির পেছনে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অঙ্গীকার করা রাইসি যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার আওতায় আছেন। কয়েক দশক আগে রাজনৈতিক বন্দিদের হত্যার ঘটনায় তিনি জড়িত এমন সন্দেহে তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ওয়াশিংটন।
এদিকে, ৬০ বছর বয়সী রাইসির বিরুদ্ধে একাধইক মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে তিনি ইরানের প্রধান বিচারপতি পদে রয়েছেন। এর আগে ২০১৭ সালেও প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দাঁড়িয়েছিলেন রাইসি। তবে তিনি হেরে যান। এরপর ক্রমেই জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে এই কট্টরপন্থী নেতার। বরাবরই আমেরিকাসহ পশ্চিমা দেশগুলোর তীব্র সমালোচনা করে এসেছেন রাইসি। তবে হোয়াইট হাউসে বাইডেন আসার পর ইরানের প্রতি মার্কিন মনোভাবে বদল এসেছে। এই পরিস্থিতিতে শান্তি বজায় রাখতে রাইসি নিজের অবস্থান বদল করেন কি না, তাই দেখার।
Leave a Reply