ঢাকা,রবিবার ০৪ জুলাই ২০২১, ০২:৩৫ অপরাহ্ন
ধর্ষণে বাধা দেয়ায় ঘুষি মেরে ৪ দাঁত ভেঙে, ছিড়ে ফেলে গোপনাঙ্গ
দৈনিক ডাক অনলাইন ডেস্ক

ধর্ষণের সময় লাথি দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে টাঙ্গাইলের সখীপুরের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নারীর চারটি দাঁত ঘুসি দিয়ে ভেঙে ফেলে গ্রেফতার দিনা। এতেও ক্ষান্ত না হয়ে যৌনাঙ্গে হাত ঢুকিয়ে খামচে ধরে পেট এবং পায়ুপথ পর্যন্ত ছিড়ে ফেলা হয়।

এছাড়া সারা শরীর কামড়ে জখম করা হয়।

গ্রেফতার দুই আসামি বুধবার (১৬ জুন) আদালতে জবানবন্দিতে এ তথ্য জানিয়েছেন। জবানবন্দি দেওয়ার পর সন্ধ্যায় তাদের কারাগরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

আদালতে জবানবন্দি দেওয়া দুইজন হলেন সখীপুরের বড়চালা গ্রামের প্রকাশ সরকারের ছেলে দিনা সরকার (৩০) ও মৃত নারায়ন সরকারের ছেলে মন্টু সরকার (৩২)। তাদের সোমবার গভীর রাতে গোয়েন্দা পুলিশ জেলার নাগরপুর ও মির্জাপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের সখীপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়গ

পুলিশ জানায়, তারা উভয়েই জবানবন্দিতে জানান, বৃহস্পতিবার ওই নারীর বাড়িতে গিয়ে নারীকে ডেকে তুলেন। পরে পাশের বনে নিয়ে ধর্ষণ করেন। আসামি দিনা সরকার জানান, ধর্ষণ শুরু করার পর ওই নারী তাকে লাথি দিয়ে ফেলে দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি তার মুখে খুব জোড়ে ঘুসি মারেন। এতে ওই নারীর কয়েকটি দাঁত পড়ে যায়। পরে তারা নারীকে কামড়ে ক্ষতবিক্ষত করেন। এক পর্যায়ে নারীর যৌনাঙ্গে হাত ঢুকিয়ে দিয়ে খামচে ধরেন।

গত বৃহস্পতিবার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নারী ধর্ষণের শিকার হন। পরে শুক্রবার তাকে প্রথমে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শনিবার ওই নারী বাদি হয়ে সখীপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় গ্রেফতারকৃত দুইজন ছাড়াও শবদুল মিয়া (২৮) নামক আরো এক ব্যক্তি মোট তিনজনকে আসামি করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে শবদুল মিয়াকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *