ঢাকা,রবিবার ০৪ জুলাই ২০২১, ০২:৩৫ অপরাহ্ন
সাকিব আল হাসান ষড়যন্ত্রের শিকারঃ সাকিবপত্নী শিশির
দৈনিক ডাক অনলাইন ডেস্ক

সাকিব আল হাসান বাংলাদেশ ক্রিকেট এবং ক্রিকেট অনুরাগীধের প্রান, আর সেই সাকিব মানেই যেন বির্তকিত, আলোচিত, সমালোচিত ব্যক্তিত্ব।

বিতর্ক যেন পিছুই ছাড়ে না তার। একের পর এক ঘটনার জন্ম দিয়ে দেশের ক্রিকেটকে উত্তাল করে রাখেন তিনি।

কয়েকদিন আগে বায়ো বাবল প্রটোকল ভেঙে বিতর্কের জন্ম দিয়েছিলেন সাকিব। তার হয়ে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) দল মোহামেডান দুঃখ প্রকাশ করে শাস্তি এড়ায়।

এর একদিন পরই মাঠে কী না করলেন সাকিব! স্ট্যাম্পে লাথি মারলেন, আম্পায়ারের সঙ্গে বাজে ব্যবহার করলেন, স্ট্যাম্প উপড়েও ফেললেন, মাঠের বাইরে আবাহনীর কোচ সাবেক তারকা খালেদ মাহমুদ সুজনের সঙ্গেও বাজে আচরণ করলেন।

এ ঘটনায় দেশজুড়ে তোলপাড় চলছে। অনেকের মতে, এবার বড় ধরনের শাস্তি পেতে যাচ্ছেন সাকিব। হয়ত ফের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ হতে পারেন। কেউ কেউ বলছেন, ডিপিএলের বাকি ম্যাচগুলো হয়ত আর খেলা হচ্ছে না সাকিবের।

সাকিবকাণ্ডে পরিস্থিতি যেমনই হোক, বরাবরের মতো এবারও স্বামীর প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন দিয়েছেন সাকিবপত্নী উম্মে আহমেদ শিশির।

শিশিরের মতে, সাকিব আল হাসান ষড়যন্ত্রের শিকার। এবং বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরেচলে আসছে।

শুক্রবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে আম্পায়ারের সামনে সাকিবের উইকেটে লাথি মারার ছবির কার্টুনচিত্র আপলোড করেছেন শিশির।

এরপর ক্যাপশনে লেখেন, ‘গণমাধ্যমের মতো আমিও পুরো বিষয়টা খুব উপভোগ করছি। অবশেষে টিভিতে কিছু খবর পাওয়া গেলো। যারা আজকের (শুক্রবার) ঘটনার পরিষ্কার চিত্র বুঝতে পেরেছে, তাদের সমর্থন দিতে দেখা সত্যিই দারুণ। অন্তত কেউ একজনের তো সব প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর সাহসটা রয়েছে।’

শিশির আরো লেখেন, ‘যাই হোক, এখানে মূল বিষয়টা চাপা পড়ে যাচ্ছে কারণ গণমাধ্যমে তার (সাকিব) দেখানো রাগের বিষয়টিই শুধু সামনে আসছে। পুরো ঘটনায় মূল বিষয়টা হলো আম্পায়ারদের নেয়া ক্রমাগত ভুল সিদ্ধান্তগুলো। কিন্তু শিরোনামগুলো সত্যিই হতাশাজনক।’

এরপর শিশির লেখেন, ‘আমার কাছে মনে হয়, এটা তার বিরুদ্ধে একটা ষড়যন্ত্র। যা কি না দীর্ঘসময় ধরে চলে আসছে, যাতে যেকোনো পরিস্থিতিতে তাকে খলনায়ক বানানো যায়। আপনি যদি ক্রিকেটপ্রেমী হয়ে থাকেন, তাহলে নিজের কর্মকান্ডের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *