ঢাকা,রবিবার ০৪ জুলাই ২০২১, ০২:৩৫ অপরাহ্ন
সিলেট পাঠানটুলা সড়কে রাস্তার উন্নয়ন কাজে অনিয়মের অভিযোগ
দৈনিক ডাক অনলাইন ডেস্ক

রুবেল আহমদ সিলেট থেকেঃ  রাস্তার কাজে সিলেট পাঠাটুলা ভইপাস সড়কে নির্মাণের কাজে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়ম এর অভিযোগ উঠেছে। নিম্ম মানের উপকরণ দিয়ে রাস্তা কাজ করছে বলেন অভিযোগ করেন এলাকাবাসী। গতকাল বেলা ২টা সময় সিলেটে সদর উপজেলা ৩নং খাদিমনগর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের লাখাউড়াস্থ  এলাকায় রাস্তার কাজে অনিয়মের অভিযোগ তুলে ও নিয়ম অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন করার দাবি  করেছে এলাকাবাসী।

এসময় স্থানীয় এলাকাবাসী রাস্তার উন্নয়ন কাজের অনিয়মের কারণ অভিযোগ করে বলেন, রাস্তার গর্তের মাঝে পাথর না দিয়ে তার বদলে নষ্ট  কার্পেটিং  দিয়ে গর্ত বড়াট করা হয়েছে, এতে রাস্তার গর্তসম্পন্ন হচ্ছে না, আমরা মনে করছি অনিয়মের কাজ হচ্ছে, এটা টেকসই উন্নয়ন কাজ হচ্ছে না, আমরা ্এর প্রতিবাদ জানাই।

এলাকাবাসীর আরোও অভিযোগ উল্লেখ্য করেন বলেন ৩নং খাদিমনগর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের এয়ারপোর্ট হইতে পাটানটুলা পর্যন্ত রাস্তার কাজের ভালো পাথর দ্বারা রাস্তার কাজ করার জন্য ওয়ার্ড বাসীর সর্বস্থরের মানুষের দাবী। অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়টি ধামাচাপা দিতে স্থানীয় একটি মধ্যস্বত্বভোগী প্রভাবশালী মহল উঠেপড়ে লেগেছে। সড়ক বিভাগের তথ্য মতে, পাঠানটুলা ভাইপাস সড়কের প্রশস্তকরণ এবং কার্পেটিংয়ের জন্য চারটি প্যাকেজে দরপত্র আহ্বান করে সড়ক বিভাগ। সড়ক প্রশস্তকরণ ও নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ তোলে চরমুচারিয়া এলাকাবাসী। স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কের দুপাশের বর্ধিত অংশে নিম্নমানের বালুর সঙ্গে মাটির ব্যবহার, রাস্তয় ব্যবহার করা হয়েছে নষ্ট কার্পেটিং মালামাল,  ইট, বালু ও ডাসনামক পাথর ।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পাঠানটুলা ভাইপাস সড়কের লাখাউড়া নামক স্থানে গিয়ে দেখা যাচ্ছে যে রাস্তার সাব-বেসে তিনস্তরে পানি দিয়ে কমপ্যাক্ট না করায় যে কাজ হয়েছে, বর্ষায় এই রাস্তা টিকবে না।’ তারা জানান, ঠিকাদারের লোকজনকে নিয়ম মেনে কাজ করার অনুরোধ করা হলেও তারা তা শোনেননি। বরং প্রতিবাদ করায় তাদের বিরুদ্ধে তোহাক্কা করেনি।

এদিকে স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিক সরেজমিনে পরিদর্শনকালে সড়কটির বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশে সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) দায়িত্বরত কার্যসহকারীর সামনে অনিয়মের চিত্র দেখায় এলাকাবাসী। এতে দেখা যায়, কার্পেটিং নষ্ট মাল দিয়ে রাস্তার গর্ত বড়াট করে  পাথরের বদলে খাদা জাতীয় মাটি পরিমান বেশী।

ঠিকাদারের লোক ম্যানেজার জানান রাস্তার গর্তে মাঝে কার্পেটিংয়ের মাল মিশিয়ে দিয়ে গর্ত বড়াট করা হয়েছে তবে পরে পাথর দিয়ে শক্ত করা হবে এতে কাজেই অনিয়ম হচ্ছে না।  পরিদর্শনকালে ঠিকাদারের লোকজন বলেছে, তারা ভালোভাবে কাজ করবেন। আর এলাকাবাসীও কাজে বাধা দেবে না । নিয়ম মেনেই বৃহৎ প্রকল্পের কাজটি করা হচ্ছে। অনিয়ম বা নি¤œমানের কাজের অভিযোগের বিষয়টি ভিত্তিহীন। তবে রাস্তার কাজ মানসম্মতভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি। তবে সওজের কার্যসহকারী তিনি ঊর্ধ্বতন কর্রতৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।

এবিষয় স্থানীয় ইউপি সদস্য মো: সিরাজ মিয়ার সাথে মুঠোফোন  যোগযোগ করা হলে তিনি জানান রাস্তার উন্নয়ন কাজের অনিয়মের অভিযোগ আমার কাছে কয়েক জন এলাকাবাসী ফোনে অভিযোগ করেন আমিও চাই সঠিক ভাবে উন্নয়নের কাজ হউক। আমি বিষয়টি উপজেলায় আলাপ আলোচনা করবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *